২১, নভেম্বর, ২০২০, শনিবার

দুই বছরের সাজায় চার বছর পালতক, অবশেষে গ্রেফতার

মিজানুর রহমান নয়ন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ ২০১১ সালে মেহেরপুর জর্জ কোর্টে প্রথম স্ত্রী কর্তৃক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ১১ এর (গ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ২৫১। দীর্ঘ শুনানী শেষে মামলায় ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড হয় সাইফুল ইসলাম (৪৮) নামের এক আসামীর বিরুদ্ধে। মামলার পর থেকেই আসামী পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতেই এরায় ঘোষণা করেন বিজ্ঞ আদালাত। রায়ের প্রায় চার বছর পরে তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে উক্ত সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে শুক্রবার রাতে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানা পুলিশ। পরে আজ শনিবার সকালে আদালতে সোপার্দ করা হয়।

সাজাপ্রাপ্ত আসামী সাইফুল ইসলাম কুমারখালী উপজেলার নন্দনালপুর ইউনিয়নের সদরপুর গোরস্তান পাড়ার মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি হেলথ কেয়ার কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।

এতথ্য নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান বলেন, সুযোগ্য পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত (পিপিএম বার) স্যারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে থানার চৌকশ অফিসার এস আই হাসান সংঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করেছে।তিনি আরো বলেন, আসামীকে আজ শনিবার সকালে আদালতে সোপার্দ করা হয়েছে।

এবিষয়ে মামলা বাদী নাম প্রকাশ না করা শর্তে মুঠোফোনে বলেন, বিয়ের দশ বছর হলেও যৌতুকলোভী বেকার স্বামী যৌতুকের টাকার জন্য নিয়মিত শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করত।একপর্যায়ে মেহেরপুর জর্জ কোর্টে মামলা করি।মামলার পর থেকেই স্বামী পলাতক ছিল। আসামী গ্রেফতার হওয়ায় কুমারখালী থানা পুলিশ কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আরো বলেন, এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিৎ।যেন পুরুষরূপী আর কোন অমানুষ মেয়ের সাথে এমন আচরণ না করে।

সর্বশেষ নিউজ